স্বামী-স্ত্রীর গোপন কথা প্রকাশ, নবীজি (স.)-এর কঠিন সতর্কতা

ছবি সংগৃহীত

 

ধর্ম ডেস্ক : স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনেক ব্যক্তিগত কথা থাকে। এসব কথা অন্যের জানার কথা নয়। একান্ত আলাপ, পারিবারিক সমস্যা, ব্যক্তিগত দুর্বলতা কিংবা দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ বিষয় সবই পারস্পরিক বিশ্বাসের অংশ।

এই বিশ্বাস ভেঙে অন্যের কাছে ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ করা ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুতর পাপ। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর একান্ত সম্পর্কের কথা প্রকাশের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (স.) কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন।

দাম্পত্যের গোপনীয়তা নিয়ে কঠিন সতর্কতা

হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতম পর্যায়ের ব্যক্তি হবে সেই পুরুষ, যে তার স্ত্রীর কাছে যায় এবং স্ত্রীও তার কাছে যায়, এরপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়।’ (সহিহ মুসলিম: ১৪৩৭)

অন্য বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ (স.) স্বামী-স্ত্রীর একান্ত সম্পর্কের গোপনীয়তা প্রকাশ করাকে আমানতের খেয়ানত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (সহিহ মুসলিম)

হাদিসটি থেকে বোঝা যায়, দাম্পত্যের একান্ত বিষয় অন্যের কাছে প্রকাশ করা সামান্য কোনো ভুল নয়। এর সঙ্গে আমানত রক্ষা, লজ্জাশীলতা ও মানুষের সম্মানের বিষয় জড়িত।

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের ‘পোশাক’

পবিত্র কোরআনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বোঝাতে আল্লাহ বলেন, ‘তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক।’ (সুরা বাকারা: ১৮৭)

পোশাক মানুষের দেহ আবৃত করে। একই সঙ্গে তা সৌন্দর্য ও সুরক্ষার মাধ্যম। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেও পরস্পরকে আড়াল করা এবং নিরাপত্তা দেওয়ার একটি দিক রয়েছে।

তাই জীবনসঙ্গীর এমন কোনো ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ করা ঠিক নয়, যা তিনি বিশ্বাস করে গোপন রেখেছেন।

গোপনীয়তা বলতে শুধু দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ বিষয় বোঝায় না। ব্যক্তিগত দুর্বলতা, পারিবারিক সংকট, আর্থিক সমস্যা, একান্ত আলাপ কিংবা সঙ্গীর বলা কোনো ব্যক্তিগত কথাও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

রাগের সময়ও গোপন কথা প্রকাশ করা যাবে না

দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ হতে পারে। রাগ-অভিমানও হতে পারে। কিন্তু এসবের কারণে সঙ্গীর ব্যক্তিগত কথা অন্যের কাছে প্রকাশ করা ঠিক নয়।

অনেকে নিজের অবস্থান সঠিক প্রমাণ করতে বন্ধু বা আত্মীয়ের কাছে স্বামী কিংবা স্ত্রীর দুর্বলতার কথা বলেন। কেউ আবার রাগের সময় এমন কথা বলে ফেলেন, যা স্বাভাবিক সময়ে কখনো প্রকাশ করতেন না।

এতে সমস্যার সমাধান হয় না। উল্টো সম্পর্কের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। সঙ্গীর সম্মানও ক্ষুণ্ন হয়।

তবে দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হলে কারও পরামর্শ নেওয়া যাবে না-এমন নয়। প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ত ও বিচক্ষণ ব্যক্তির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

সমস্যা হলে সমাধানের পথ কী?

স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ গুরুতর হলে পবিত্র কোরআন মধ্যস্থতার পথ দেখিয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যদি উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা করো, তাহলে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিশ নিযুক্ত করো। তারা উভয়ে সংশোধন চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেবেন।’ (সুরা নিসা: ৩৫)

তাই দাম্পত্য সংকট হলে উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সমস্যার সমাধান। প্রয়োজন হলে পরিবারের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, অভিজ্ঞ আলেম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্ঞানী কারও পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

তবে যতটুকু বলা প্রয়োজন, ততটুকুই বলা উচিত। পরামর্শের নামে সঙ্গীর ব্যক্তিগত বিষয় ছড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সতর্কতা জরুরি

বর্তমানে অনেকেই দাম্পত্য জীবনের সমস্যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। কেউ সরাসরি অভিযোগ করেন। কেউ আবার নাম না লিখে ব্যক্তিগত ঘটনা, কথোপকথন বা ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেন।

এতে ব্যক্তিগত বিষয় দ্রুত অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। ব্যক্তিগত ছবি, বার্তা বা তথ্য প্রকাশ হলে তা অন্যরা সংরক্ষণ কিংবা পুনঃপ্রচার করতে পারে। পরে সেটি অপব্যবহারের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

তাই দাম্পত্য বিরোধের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ না করাই নিরাপদ। ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত ও দায়িত্বশীল পথ বেছে নেওয়া উচিত।

গোপন কথা রক্ষা কেন জরুরি?

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হলো বিশ্বাস। একজন মানুষ যখন নিজের দুর্বলতা, কষ্ট কিংবা ব্যক্তিগত কথা জীবনসঙ্গীর কাছে বলেন, তখন তিনি তার কাছে নিরাপত্তা আশা করেন।

সেই বিশ্বাস ভেঙে গেলে সম্পর্কের ভিত দুর্বল হয়। ভালোবাসা থাকলেও পারস্পরিক আস্থায় ফাটল ধরতে পারে।

তাই কোনো ব্যক্তিগত কথা অন্যের কাছে বলার আগে ভাবা দরকার- এটি বলা কি সত্যিই প্রয়োজন? এর মাধ্যমে কি কোনো বৈধ সমস্যার সমাধান হবে? নাকি শুধু রাগ, ক্ষোভ কিংবা আবেগ প্রকাশ হবে?

ইসলাম দাম্পত্য জীবনের গোপনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই তা মনে রাখা উচিত। জীবনসঙ্গীর ব্যক্তিগত বিষয়কে আমানত মনে করা উচিত। কারণ দাম্পত্যের সৌন্দর্য শুধু ভালোবাসায় নয়। একে অপরের সম্মান রক্ষা, গোপন কথা সংরক্ষণ এবং বিপদের সময় পাশে থাকার মধ্যে এর সৌন্দর্য রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কলকাতার হোটেলে আগুন: নিহত ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত, কুষ্টিয়ার ৪ জন

» হাম প্রতিরোধে টিকাই একমাত্র পথ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

» দেশে প্রথমবারের মতো ‘নৌযান শুমারি’ শুরু হচ্ছে কাল

» কাভার্ডভ্যান পিকআপের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত

» লুট হওয়া অস্ত্র-গুলিসহ ‘ছোট নিশান’ গ্রেপ্তার

» বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আইনি বাধা নেই : অ্যাটর্নি জেনারেল

» সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

» জাইকা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাক্ষাৎ

» ছয়টি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

» শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

স্বামী-স্ত্রীর গোপন কথা প্রকাশ, নবীজি (স.)-এর কঠিন সতর্কতা

ছবি সংগৃহীত

 

ধর্ম ডেস্ক : স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনেক ব্যক্তিগত কথা থাকে। এসব কথা অন্যের জানার কথা নয়। একান্ত আলাপ, পারিবারিক সমস্যা, ব্যক্তিগত দুর্বলতা কিংবা দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ বিষয় সবই পারস্পরিক বিশ্বাসের অংশ।

এই বিশ্বাস ভেঙে অন্যের কাছে ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ করা ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুতর পাপ। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর একান্ত সম্পর্কের কথা প্রকাশের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (স.) কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন।

দাম্পত্যের গোপনীয়তা নিয়ে কঠিন সতর্কতা

হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে মানুষের মধ্যে নিকৃষ্টতম পর্যায়ের ব্যক্তি হবে সেই পুরুষ, যে তার স্ত্রীর কাছে যায় এবং স্ত্রীও তার কাছে যায়, এরপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়।’ (সহিহ মুসলিম: ১৪৩৭)

অন্য বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ (স.) স্বামী-স্ত্রীর একান্ত সম্পর্কের গোপনীয়তা প্রকাশ করাকে আমানতের খেয়ানত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (সহিহ মুসলিম)

হাদিসটি থেকে বোঝা যায়, দাম্পত্যের একান্ত বিষয় অন্যের কাছে প্রকাশ করা সামান্য কোনো ভুল নয়। এর সঙ্গে আমানত রক্ষা, লজ্জাশীলতা ও মানুষের সম্মানের বিষয় জড়িত।

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের ‘পোশাক’

পবিত্র কোরআনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বোঝাতে আল্লাহ বলেন, ‘তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক।’ (সুরা বাকারা: ১৮৭)

পোশাক মানুষের দেহ আবৃত করে। একই সঙ্গে তা সৌন্দর্য ও সুরক্ষার মাধ্যম। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেও পরস্পরকে আড়াল করা এবং নিরাপত্তা দেওয়ার একটি দিক রয়েছে।

তাই জীবনসঙ্গীর এমন কোনো ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ করা ঠিক নয়, যা তিনি বিশ্বাস করে গোপন রেখেছেন।

গোপনীয়তা বলতে শুধু দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ বিষয় বোঝায় না। ব্যক্তিগত দুর্বলতা, পারিবারিক সংকট, আর্থিক সমস্যা, একান্ত আলাপ কিংবা সঙ্গীর বলা কোনো ব্যক্তিগত কথাও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

রাগের সময়ও গোপন কথা প্রকাশ করা যাবে না

দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ হতে পারে। রাগ-অভিমানও হতে পারে। কিন্তু এসবের কারণে সঙ্গীর ব্যক্তিগত কথা অন্যের কাছে প্রকাশ করা ঠিক নয়।

অনেকে নিজের অবস্থান সঠিক প্রমাণ করতে বন্ধু বা আত্মীয়ের কাছে স্বামী কিংবা স্ত্রীর দুর্বলতার কথা বলেন। কেউ আবার রাগের সময় এমন কথা বলে ফেলেন, যা স্বাভাবিক সময়ে কখনো প্রকাশ করতেন না।

এতে সমস্যার সমাধান হয় না। উল্টো সম্পর্কের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। সঙ্গীর সম্মানও ক্ষুণ্ন হয়।

তবে দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হলে কারও পরামর্শ নেওয়া যাবে না-এমন নয়। প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ত ও বিচক্ষণ ব্যক্তির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

সমস্যা হলে সমাধানের পথ কী?

স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ গুরুতর হলে পবিত্র কোরআন মধ্যস্থতার পথ দেখিয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যদি উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা করো, তাহলে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিশ নিযুক্ত করো। তারা উভয়ে সংশোধন চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেবেন।’ (সুরা নিসা: ৩৫)

তাই দাম্পত্য সংকট হলে উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সমস্যার সমাধান। প্রয়োজন হলে পরিবারের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, অভিজ্ঞ আলেম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জ্ঞানী কারও পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

তবে যতটুকু বলা প্রয়োজন, ততটুকুই বলা উচিত। পরামর্শের নামে সঙ্গীর ব্যক্তিগত বিষয় ছড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সতর্কতা জরুরি

বর্তমানে অনেকেই দাম্পত্য জীবনের সমস্যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। কেউ সরাসরি অভিযোগ করেন। কেউ আবার নাম না লিখে ব্যক্তিগত ঘটনা, কথোপকথন বা ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেন।

এতে ব্যক্তিগত বিষয় দ্রুত অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। ব্যক্তিগত ছবি, বার্তা বা তথ্য প্রকাশ হলে তা অন্যরা সংরক্ষণ কিংবা পুনঃপ্রচার করতে পারে। পরে সেটি অপব্যবহারের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

তাই দাম্পত্য বিরোধের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ না করাই নিরাপদ। ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত ও দায়িত্বশীল পথ বেছে নেওয়া উচিত।

গোপন কথা রক্ষা কেন জরুরি?

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হলো বিশ্বাস। একজন মানুষ যখন নিজের দুর্বলতা, কষ্ট কিংবা ব্যক্তিগত কথা জীবনসঙ্গীর কাছে বলেন, তখন তিনি তার কাছে নিরাপত্তা আশা করেন।

সেই বিশ্বাস ভেঙে গেলে সম্পর্কের ভিত দুর্বল হয়। ভালোবাসা থাকলেও পারস্পরিক আস্থায় ফাটল ধরতে পারে।

তাই কোনো ব্যক্তিগত কথা অন্যের কাছে বলার আগে ভাবা দরকার- এটি বলা কি সত্যিই প্রয়োজন? এর মাধ্যমে কি কোনো বৈধ সমস্যার সমাধান হবে? নাকি শুধু রাগ, ক্ষোভ কিংবা আবেগ প্রকাশ হবে?

ইসলাম দাম্পত্য জীবনের গোপনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই তা মনে রাখা উচিত। জীবনসঙ্গীর ব্যক্তিগত বিষয়কে আমানত মনে করা উচিত। কারণ দাম্পত্যের সৌন্দর্য শুধু ভালোবাসায় নয়। একে অপরের সম্মান রক্ষা, গোপন কথা সংরক্ষণ এবং বিপদের সময় পাশে থাকার মধ্যে এর সৌন্দর্য রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com